সুফিবাদ থেকে পপ কালচারে কাওয়ালি
তেরোশ শতাব্দীর দিল্লির সুলতানি আমল থেকে আজ অবধি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে কাওয়ালি ও তার ঐতিহ্য।
সুফিবাদ থেকে পপ কালচারে কাওয়ালি
তেরোশ শতাব্দীর দিল্লির সুলতানি আমল থেকে আজ অবধি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে কাওয়ালি ও তার ঐতিহ্য।
যুদ্ধবিধ্বস্ত বিশ্ব ও সেলুলয়েডের জয়যাত্রা
ফিল্ম ফেস্টিভাল মানেই কেবল জমকালো লাল গালিচার অনুষ্ঠান ভাবাটা ভুল হবে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রাখে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।
.tv মানে টেলিভিশন না, টুভালু
কোথাও .tv দেখলে অনেকেই ধরে নেই, এটি হয়তো Television এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কিন্তু এর সাথে টেলিভিশনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
‘ভালনারেবিলিটি’ খুব গুরুত্বপূর্ণ – আল পাচিনো
‘দ্য গডফাদার’-এর মাইকেল করলিয়নি থেকে ‘স্কারফেস’-এর টনি মন্টানা, প্রতিটি চরিত্রে আল পাচিনো নিজেকে ঢেলে দিয়েছেন এক অদ্ভুত তীব্রতায়।
আহমদ ফারাজের জীবনের বহুমাত্রিক দহন
প্রথাগত কবিদের মতো আলুথালু চুল বা ছন্নছাড়া জীবন ফরাজের ছিল না। তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরিপাটি, শৌখিন, সফল ব্যবসায়ী এবং আধুনিক
যুদ্ধবিধ্বস্ত বিশ্ব ও সেলুলয়েডের জয়যাত্রা
.tv মানে টেলিভিশন না, টুভালু
‘ভালনারেবিলিটি’ খুব গুরুত্বপূর্ণ – আল পাচিনো
আহমদ ফারাজের জীবনের বহুমাত্রিক দহন
প্রাচ্যের কবি ডক্টর আল্লামা ইকবাল
আজকের বিভক্ত পৃথিবীতে, যেখানে উগ্রবাদ আর বস্তুবাদ মানুষের আত্মাকে গ্রাস করছে, সেখানে ইকবালের দর্শন কি কেবল লাইব্রেরির তাকে সাজিয়ে রাখার
“সরি”যেভাবে একটি সামাজিক ব্যাধি
ইসরায়েলের নকশায় ট্রাম্পের বেফাঁস যুদ্ধ!
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের দামামায় কাঁপছে বিশ্ববাজার
অপরাজেয় নেপোলিয়নের পরাজয়
রোম যেভাবে বহু দেবতা থেকে এক ঈশ্বরে এলো
রোমানদের কাছে ধর্ম ছিল এক অদ্ভুত সামাজিক চুক্তি। তারা বিশ্বাস করত, যদি তারা নিয়মমাফিক দেবতাদের পূজা দেয়, তবে দেবতারা বিনিময়ে
কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক মণিশঙ্করের প্রয়াণ
শংকরের লেখা ‘চৌরঙ্গী’ অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় নির্মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন উত্তম কুমার।
‘আমাকে ভাবতে শেখানো হয়নি’: যেভাবে হিটলারের ব্যক্তিগত ইঞ্জিনিয়ার মৃত্যুদণ্ড এড়ালেন।
১৯৪২ সালে হিটলার স্পিয়ারকে অস্ত্র উৎপাদনমন্ত্রী করেন। ৩৭ বছর বয়সে স্পিয়ার হয়ে ওঠেন হিটলার শাসনকালের অন্যতম ক্ষমতাবান ব্যক্তি।
তারেক রহমান কি বাংলাদেশের পরিবর্তন আনতে পারবেন?
দুই বছর আগেও অবিশ্বাস্য ছিল। যে প্রতিদ্বন্দ্বী দলটিকে কার্যত রাজনৈতিকভাবে বাতিল বলেই ধরা হচ্ছিল, তারা এভাবে প্রত্যাবর্তন ঘটাবে।
মতামত
তুঝসে জুদা“সদমা তো হ্যায় মুঝে ভি কে তুঝসে জুদা হুঁ ম্যায়” জগজিৎ সিং তাঁর মৃত্যুর ঠিক এক সপ্তাহ আগে The Pioneer-কে দেওয়া শেষ সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন:“আপনি যত সহজ ভাষায় কথা বলবেন, শ্রোতা তত গভীরভাবে আপনাকে অনুভব করবে।” “আমি একজন গায়ক, যে গজলও গাইতে পারে।”এইভাবে নিজেকে সংজ্ঞায়িত করতেন কিংবদন্তি গজলশিল্পী পদ্মভূষণ জগজিৎ সিং। তিনি ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর সকালে মৃত্যুবরণ করেন, মাত্র ক’দিন আগে, ২৩ সেপ্টেম্বর ব্রেন হ্যামারেজ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।এই বছর তাঁর ৭০তম জন্মদিন উদযাপন করার ইচ্ছে ছিল, ৭০টি কনসার্টের মাধ্যমে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে মাত্র ৪৬টি কনসার্টই সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন। জগজিৎ সিং পণ্ডিত ছগনলাল শর্মা ও পরে উস্তাদ জামাল খানের কাছে সংগীত শিখেছিলেন। ১৯৭০ ও ৮০’র দশকে তিনি বিখ্যাত হন তাঁর কোমল কণ্ঠস্বর এবং গজলের ভিন্ন ধারার উপস্থাপনার জন্য।১৯৪১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, রাজস্থানে এক শিখ পরিবারে জন্ম। পরবর্তী সময়ে হরিয়ানার কুরুক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৬৫ সালে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান গায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আশায়। শুরুটা কঠিন ছিল; ছোট গানের অনুষ্ঠান, বাড়ির কনসার্ট, সিনেমার পার্টিতে গান গাওয়া -এই সবই ছিল প্রতিদিনের অংশ।তবুও তিনি আশা হারাননি। এই সাক্ষাৎকারে, সম্ভবত তাঁর শেষ সাক্ষাৎকারে, তিনি বলেছিলেন—“সবই ঈশ্বরের কৃপা। একসময় গজল কেবল ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে গাওয়া হতো, যেখানে ৬০-৭০ জন বোদ্ধা শ্রোতা থাকত। এখন তা বড় বড় কনসার্টে গাওয়া হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের সামনে। তাই আজকাল আমি এমন গজলই গাই যাতে মানুষ নিজেকে খুঁজে পায়। তিন ঘণ্টার কনসার্টে শ্রোতাদের আগ্রহ ধরে রাখা জরুরি। যেন এক মুহূর্তের জন্যও যেন তারা বিরক্ত বা ক্লান্ত না হয়।” গজলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেছিলেন—“এটা খুব কষ্টের কথা, কিন্তু হ্যাঁ, আমারও মনে হয় ধীরে ধীরে গজল হারিয়ে যেতে পারে। যদিও আমি বলছি না যে আর কেউ নেই। অনেক প্রতিভাবান শিল্পী আছেন। কিন্তু যদি উর্দু ভাষা বাঁচে, তবে গজলও বাঁচবে। আমি মনে করি সরকার উর্দুকে পাঠ্যক্রমে বাধ্যতামূলক করা উচিত। মানুষ যদি ভাষা বোঝে, তবে তারা গজলও বুঝবে।” তিনি গজলের বাদশা ছিলেন, কিন্তু রাম ধুন ও নিবেদন-এর মতো ভক্তিমূলক গানেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন।“গজলের জনপ্রিয়তা কমছে, কারণ তরুণ প্রজন্ম বলিউড গানে বেশি আগ্রহী। কিন্তু মনে রাখবেন, তাদের বাবা-মা এখনো গজলে আগ্রহী। সৌভাগ্যক্রমে, এখনো আমি ভালো চাহিদায় আছি। সময় বদলেছে, মানুষের জীবনযাপন, পোশাক, আচরণ; সবই বদলেছে। গজলের উপস্থাপনাও বদলেছে। এখন গানের কথা অনেক সহজ।” “গালিব আজ থেকে আড়াইশো বছর আগে সহজ ভাষায় কবিতা লিখেছিলেন। হাজার খোয়ায়িশে অ্যায়সি… এটা একটা এমন গজল, যেটা সবাই বুঝতে পারে।” ১৯৯০-এর দশকে তিনি “নীম কা পেড়” টিভি ধারাবাহিকের জন্য যে শিরোনাম সংগীতটি গেয়েছিলেন, সেটি লিখেছিলেন নিদা ফাজলি। এটি আজও মানুষকে টিভির পর্দায় টেনে আনে। “আপনি যত সহজ ভাষায় গান গাইবেন, শ্রোতা তত আপনাকে ভালোবাসবে। ভালো গানের সৌন্দর্য সহজ কথার মধ্যেই লুকানো। এই জন্যই তো ‘ইয়ে দৌলত ভি লে লো, ইয়ে শোহরত ভি লে লো…’ এই গজলটি সবাই পছন্দ করে। এটা হৃদয় ছুঁয়ে যায়। মানুষ আবেগে ভেসে যায়, শৈশবে ফিরে যায়।” তিনি হতাশ ছিলেন বাস্তবতা শো ভিত্তিক প্রতিযোগিতাগুলোর কারণে।“ছেলেমেয়েরা ভাবে ওখানে গান গাইলেই তারকা হয়ে যাবে। হ্যাঁ, ওরা একটা প্ল্যাটফর্ম পায় ঠিকই, কিন্তু সেখানে ওদের শুধু ফিল্মি গান গাইতেই হয়। ওরা নিজেদের সৃষ্টিশীলতা প্রকাশ করতে পারে না। গজল বা ধ্রুপদী গান সেখানে নেই বললেই চলে।” তিনি বিশ্বাস করতেন ধৈর্য এবং সাধনার শক্তিতে।“যদি তোমার ধৈর্য থাকে, তাহলে শিখে যাওয়ার অর্ধেক পথ তুমি পেরিয়ে গেছো। রাগ শিখতে হয় মনপ্রাণ দিয়ে। আজকাল শিল্পীরা